12th Week Class 9 Assignment 2021

DSHE 12th Week assignment for Class 6,7,8,9All Class 12th Week assignment 2021 solutions with answers will be available on our website. The answers to the assignment questions of all the subjects in all the classes (class six, class seven, class eight, and class nine) are attached here. Here you will get the class 9 Bangla, Physical Science, Chemistry, Business Entrepreneurship, Geography their proper answer. So, read this post carefully.

DSHE 12th Week Assignment 2021

DSHE 12th Week assignment has been published. The authority of the Secondary and Higher Secondary Education Board announces Class 6,7,8, 9 assignments every week. DSHE 12th Week assignment for all classes will be available here.

12th Week Class 6 to 9 Assignment 2021 Notice

12th Week Class 6 to 9 Assignment 2021 Notice

12th Week Class 6 to 9 Assignment 2021 PDF

Download Class 6 to 9 Assignment 2021 PDF. Click Here

Class 9 Assignment 12th Week All Subject

Every student is looking for DSHE 12th Week assignment answer for each subject. Assignments will be given to students of all classes at educational institutions are closed due to the Corona epidemic. Assignments will be given by DSHE authorities to students of all classes continuously.

We will arrange each class DSHE 12th Week assignment question and answer. So you can get the required one for your class and subject. Every student have to collect the assignment task from their respective school and also can download from online. We upload all class's 12th Week assignment sheet and 12th Week assignment answer here.

Class 9 12th Week Bangla Assignment

Class 9 12th Week Bangla Assignment

Class 9 Bangla Subject Assignment Answer

Here you will get class 9 Bangla 12th Week assignment question & answer 2021.
সম্প্রসারিত ভাব: "সংকল্প করেছ যাহা, সাধন করহ তাহা,রত হয়ে নিজ নিজ কাজে"
যেকোনো ভালো কাজের পূর্বশর্ত হচ্ছে সংকল্প করা। কর্তব্যকর্মে অগ্রসর হয়ে বাধাবিঘ্ন
জয় করাই সফলতার উপায়। জীবনে সাফল্য লাভের জন্য দরকার বিপদ মোকাবেলা করা
আর সংকল্পে দৃঢ় থাকা। বুদ্ধিমানেরা সংকল্প করে বর্তমানের ভাবনা ভাবেন।
কেননা অতীত নিয়ে পড়ে থাকার কোন মানে হয় না। বরং তা মানুষের জীবনকে
স্থবির ও জড় করে দেয়। তাছাড়া কেবল অতীত নিয়ে ভাবলে অনেক সময় ভবিষ্যতের
পাথেয়ও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। একজন মানুষকে বর্তমানের সর্বোত্তম
ব্যবহারই সফল করে তুলতে পারে। তাইতো বুদ্ধিমানেরা সংকল্প করে
বর্তমানের সর্বোচ্চ ব্যবহার করে। পৃথিবীতে মানব জন্ম অত্যন্ত মূল্যবান।
অতীত জীবনের সুখ স্মৃতি রোমন্থন করে কারোর কাতর হওয়া উচিত নয়।
সুখের প্রতিমা গড়ে অজানা ভবিষ্যতের জন্য অপেক্ষা করাও বোকামি।
সময়ের কাজ সময়ে করা উচিত। ভবের সংসারে মানব জীবন অত্যন্ত মূল্যবান।

সংকল্প করেছ যাহা
এখানে মিথ্যা সুখের প্রতিমা গড়ে কোন লাভ নেই। অবশ্য মানব জীবনের উদ্দেশ্যও তা নয়।
সংসারে বাস করতে হলে সংসারের দায়িত্ব সুচারুরূপে পালন করতে হবে।
কেননা বৈরাগ্য সাধনে মানুষের মুক্তি নেই। মানুষের জীবন কেবল নিছক স্বপ্ন নয়।
আর এ পৃথিবীকে কেবল স্বপ্ন ও মায়ার জগত বলা চলে না।
সংকল্প করেছ যাহা
অতীত সুখের দিন ও অনাগত ভবিষ্যতের কথা ভেবে বর্তমানকে বাদ দিলে চলবে না।
বর্তমানেই বর্তমানের কাজ করে যেতে হবে। আমাদের জীবন যেন শৈবালের শিশির
বিন্দুর মতো ক্ষণস্থায়ী। সুতরাং মানুষকে এ পৃথিবীতে সাহসী যোদ্ধার মতো সংগ্রাম
করে বেঁচে থাকতে হবে। আর বেঁচে থাকার জন্যই সংকল্প অনুসারে কাজ করতে হবে।

Class 9 12th Week Physical Science Assignment

Class 9 12th Week Physical Science Assignment

Class 9 12th Week Physical Science Assignment Answer

Here you will get class 9 Physical Science 12th Week assignment question & answer 2021.

শৈশব থেকে আমাদের দেহ ও মনকে সুস্থ রাখার জন্য যে শিক্ষা দেওয়া হয় তাকে শারীরিক শিক্ষা বলা হয়। শারীরিক শিক্ষা বলতে খেলাধুলো, যোগা, ওয়ার্কআউট, প্রাণায়াম এবং ধ্যানের মতো ক্রিয়াকালাপকে। জীবনে যেমন প্রতিটি শিক্ষার গুরুত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি রয়েছে শারীরিক শিক্ষা। শারীরিক শিক্ষা দেহ ফিট এবং সুস্থ রাখে। শৈশব কাল থেকেই এই শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে।
শারীরিক শিক্ষার সংজ্ঞা
শারীরিক শিক্ষা হল শরীরচর্চা শিক্ষা অর্থাৎ শারীরিক অনুশীলন, খেলাধুলো এবং স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে নিয়মিত নির্দেশ প্রক্রিয়াকে বোঝায়। শারীরিক শিক্ষা শব্দটি সাধারণত স্কুল ও কলেজ শিক্ষার সঙ্গে জড়িত। এই শিক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীকে তার স্বাস্থ্য, মন এবং সুস্থ শরীর সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সুস্থ শরীর এবং সুস্থ মন পেতে চাইলে একজন শিক্ষার্থীর পাশাপাশি প্রত্যেকটি ব্যক্তির নিয়মিত শারীরিক শিক্ষা অনুশীলন করা উচিত। আমরা যদি শারীরিক শিক্ষার গুরুত্ব না বুঝি অথবা এই সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকে তাহলে আমরা দেহের সঠিক যত্ন নিতে পারব না। যার কারণে শরীর সুস্থ থাকতে সক্ষম হবে না।
বয়সের বয়সের পাশাপাশি হজম শক্তির পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধী শক্তি হ্রাস শুরু হয়। এবং বিভিন্ন ধরণের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের শারীরিক অনুশীলন এবং যোগব্যায়াম করা উচিত। তাই শারীরিক শিক্ষা শিশুদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শারীরিক শিক্ষা একটি শক্তিশালী শরীর এবং একটি শান্ত মন তৈরি করতে পারে। এখন প্রতিটি দেশ শৈশব সময় থেকেই যোগ এবং প্রাণায়াম গ্রহণ করেছে।
শারীরিক শিক্ষা ও শিক্ষার সম্পর্ক সম্বন্ধে সি. এ. বুচার (C.A.Bucher) বলেছেন- ‘শারীরিক শিক্ষা, শিক্ষার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শারীরিক শিক্ষা হলো সুনির্দিষ্ট শারীরিক কাজকর্মের মাধ্যমে শারীরিক, মানসিক, আবেগিক এবং সামাজিক দিক দিয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পৌঁছানোর চেষ্টা।’ এ আলোচনা থেকে বোঝা যায় শিক্ষা ও শারীরিক শিক্ষা একে অপরের পরিপূরক।

ডি. কে. ম্যাথিউস বলেছেন, শারীরিক কার্যকলাপের দ্বারা অর্জিত শিক্ষাই শারীরিক শিক্ষা।

হপ স্মিথ ও ক্লিফটন বলেছেন, বিজ্ঞানসম্মত ও কৌশলগত অঙ্গসঞ্চালনের নাম শারীরিক শিক্ষা।

জে. বি. ন্যাশের ভাষায়, ‘শারীরিক শিক্ষা গোটা শিক্ষার এমন একদিক যা মাংসপেশির সঠিক সঞ্চালন ও এর প্রতিক্রিয়ার ফল হিসেবে ব্যক্তির দেহের ও স্বভাবের পরিবর্তন ও পরিবর্ধন সাধন করে।
 
শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
সাধারণভাবে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এই ধারণার মধ্যে আমরা কোনো পার্থক্য করি না। অনেক সময় একের জায়গায় অন্যটিকে ব্যবহার করি। কিন্তু এই দুই ধারণা সমার্থক নয়। এদের মধ্যে পার্থক্য আছে। লক্ষ্য হলো চূড়ান্ত গন্তব্যস্থল আর উদ্দেশ্য হলো সেই গন্তব্যস্থলে পৌছানোর সংক্ষিপ্ত ও নির্দিষ্ট পদক্ষেপসমূহ। যেমন- সিঁড়ি বেয়ে ছাদে ওঠার ক্ষেত্রে লক্ষ্য হলো ছাদ, আর সিঁড়ির এক একটি ধাপ হলো উদ্দেশ্য। লক্ষ্যের অস্তিত্ব মানুষের কল্পনায়, তার রুপায়ণ সম্ভব হয় না। কিন্তু উদ্দেশ্য হলো বাস্তব। মানুষ উদ্দেশ্য লাভ করতে পারে এমনকি তার পরিমাপও সম্ভব।
শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য
শারীরিক শিক্ষার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ব্যক্তির সর্বাত্মক উন্নতি সাধন করা, সুস্থদেহে সুন্দর মন গড়া। শারীরিক শিক্ষার প্রধান কাজ হলো শিশুকে আনন্দ ও খেলাধূলার মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করা ও কর্মক্ষম করে গড়ে তোলা। বিভিন্ন শারীরিক শিক্ষাবিদগণ শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হিসেবে নিম্নলিখিত মত ব্যক্ত করেছেন।
উইলিয়ামস-এর মতে, ‘শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো ব্যক্তির শারীরিক, সামাজিক ও অন্যান্য দিকের সুষম উন্নতি ঘটিয়ে ব্যক্তিসত্তার সর্বাঙ্গীণ বিকাশ সাধনের চেষ্টা করা’।

বুক ওয়াল্টার বলেছেন ‘শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্য হলো শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক দিক সমূহের সুসমন্বিত বিকাশ সাধন।’ এই বিকাশ সাধনের উপায় হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনেচলা ও নিয়মনীতি অনুসারে পরিচালিত খেলাধুলা, ছন্দোময় ব্যায়াম এবং জিমন্যাস্টিকস্ ইত্যাদি ক্রিয়াক্রর্মে অংশগ্রহণ।
এম. জি. ম্যাসন ও এ. জি. এল ভেল্টার বলেছেন-
১. শিশুকে সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার জন্য তাকে সুস্থভাবে গড়ে তোলা।
২. শিশুর সৃজনশীল প্রতিভার উন্মেষ ঘটানো।
৩. সামাজিক মূল্যবোধ সম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করা।
৪. নৈতিক, আবেগিক, মানসিক ও সাংস্কৃতিক গুণাবলি অর্জনে অনুপ্রণিত করা।
৫. খেলাধুলার মাধ্যমে নেতৃত্বদানের গুণাবলি অর্জন করা।
শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্য
শারীরিক শিক্ষাবিদগণ শারীরিক শিক্ষার লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য বেশ কয়েকটি অন্তর্বর্তী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন। এগুলোই শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হিসেবে স্বীকৃত। বিশেষজ্ঞগণ কিছু উদ্দেশ্য সম্পর্কে একমত হলেও কিছু উদ্দেশ্য নিযে মতের ভিন্নতাও প্রকাশ করেছেন। কয়েকটি প্রাথমিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে অধিকাংশ বিশেষজ্ঞের মতামত থেকে শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যগুলো চিহ্নিত করা সম্ভব। বিভিন্ন চিন্তাবিদদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে মতামত বিবেচনা করে শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্যকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথা-
১. শারীরিক সুস্থতা অর্জন।
২. মানসিক বিকাশ সাধন।
৩. চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন।
৪. সামাজিক গুণাবলি অর্জন।
১. শারীরিক সুস্থতা অর্জন
ক. খেলাধুলার নিয়মকানুন মেনে ভালো করে খেলতে পারা।
খ. কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য হাসিল করা।
গ. স্নায়ু ও মাংসপেশির সমন্বয় সাধনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
ঘ. দেহ ও মনের সুষম উন্নতি করা।
ঙ. সুস্বাস্থ্যের মাধ্যমে শারীরিক সক্ষমতা অর্জন করা।
চ. সহিষ্ণুতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করা।
২.মানসিক বিকাশ সাধন
ক. উপস্থিত চিন্তাধারার বিকাশ সাধন।
খ. নৈতিকতা সম্পর্কে জ্ঞানার্জন।
গ. সেবা ও আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হওয়া।
ঘ. বিভিন্ন দলের মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে ওঠা।
৩. চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন
ক. আনুগত্যবোধ ও নৈতিকতা বৃদ্ধি পাওয়া।
খ. খেলাধুলার মাধ্যমে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হওয়া।
গ. খেলোয়াড় ও বন্ধুত্বসূলব মনোভাব গড়ে ওঠা।
ঘ. প্রতিদ্বন্ধীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মনোভাব গড়ে ওঠা।
ঙ. আত্মসংযমী হওয়া ও আবেগ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
৪. সামাজিক গুণাবলি অর্জন
ক. নেতৃত্বদানের সক্ষমতা অর্জন ও সামাজিক গুণাবলি অর্জন করা।
খ. বিনোদনের সাথে অবসর সময় কাটানোর উপায় জানা।
গ. বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের যোগ্যতা অর্জন করা
ঘ. সকলের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করা।
শারীরিক শিক্ষাবিদদের মতামত থেকে এটা স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, শারীরিক শিক্ষার উদ্দেশ্য সাধারণ শিক্ষার মতোই ব্যক্তিসত্তার সর্বোচ্চ ও সুষম বিকাশ সাধন করে থাকে এবং পরিকল্পিতভাবে খেলাধুলায় পারদর্শিতা অর্জনে সাহায্য করে।
শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা, ব্যায়াম, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ও বিনোদনমূলক যে সমস্ত কার্যকলাপ পরিলক্ষিত হয় তাকে শারীরিক শিক্ষার কর্মসূচি বলে। একজন শারীরিক শিক্ষক যে সমস্ত কার্য সম্পাদন করেন তাই এই কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত।
এ কর্মসূচিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়-
১. অত্যাবশ্যকীয় কর্মসুচি (Compulsory Service Programme)
২. অন্তঃক্রীড়াসূচি (Intramural Sports)
৩. আন্তঃক্রীড়াসূচি (Extramural Sports)
১.অত্যাবশ্যকীয় কর্মসূচী (Compulsory Service Programme):

Class 9 12th Week Chemistry Subject Assignment

Class 9 12th Week Chemistry Subject Assignment

12th Week Class 9 Assignment Answer 2021

Class 9 Chemistry Subject Assignment Answer 

Here you will get class 9 Chemistry Subject 12th Week assignment question & answer 2021.

12th Week Class 9 Assignment Answer 2021
12th Week Class 9 Assignment Answer 2021
12th Week Class 9 Assignment Answer 2021

Class 9 12th Week Business Entrepreneurship Subject Assignment

Class 9 12th Week Business Entrepreneurship Subject Assignment

Class 9 Business Entrepreneurship Subject Assignment Answer 

Here you will get class 9 Business Entrepreneurship Subject 12th Week assignment question & answer 2021.

নবম শ্রেণি ব্যবসায় উদ্যোগ এসাইনমেন্ট অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১
উদ্যোগ ও ব্যবসায় উদ্যোগ
প্রতিটি স্কুলে কোনাে না কোনাে সময়ে শিক্ষা সফর হয়ে থাকে। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে একজন প্রস্তাব দিল যে, ঐ শ্রেণির সকল শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা সফর আয়ােজনে সব প্রকার সহযােগিতা সে করবে। কাজটি বেশ কষ্টসাধ্য এবং কিছুটা সৃজনশীলতা তাে রয়েছে।

এই যে, একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা সফর করা নিয়ে মূল ভূমিকা পালন করল, এটি এক ধরনের উদ্যোগ। সাধারণভাবে যে কোনাে কাজের কর্ম প্রচেষ্টা বা তৎপরতাই উদ্যোগ। ব্যবসায় কোনাে একজন ব্যক্তি বা কয়েকজন ব্যক্তির সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। একটি ব্যবসায় স্থাপনের চিন্তা বা ধারণা সনাক্তকরণ থেকে শুরু করে ব্যবসায় স্থাপন ও সফলভাবে পরিচালনা করাই হলাে ব্যবসায় উদ্যোগ।

বিশদভাবে বলতে গেলে, ব্যবসায় উদ্যোগ বলতে বােঝায় মুনাফা অর্জনের আশায় লােকসানের সম্ভাবনা মাথায় রেখেও ঝুঁকি নিয়ে ব্যবসায় স্থাপনের জন্য দৃঢ় চিত্ত ও মনােবল নিয়ে সফলভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করা । মানুষের অপরিসীম চাহিদা পূরণের প্রচেষ্টা থেকেই মূলত: অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে শুরু। এরূপ গতিশীল ও সৃজনশীল অর্থনেতিক কর্মকাণ্ডের রূপকার হলেন উদ্যোক্তা বা ব্যবসায় উদ্যোক্তা বা শিল্পোদ্যোক্তা। ইংরেজি Entrepreneur শব্দটি ফরাসি Entreprendre শব্দ হতে উদ্ভব হয়েছে যার অর্থ হল “To undertake” অর্থাৎ কোন কিছুর দায়িত্ব গ্রহণ করা। অর্থাৎ উদ্ভাবন এবং ব্যবসায়ের মাধ্যমে প্রয়ােজন ও অভাব পূরণ করা।
উদ্যোগ ও ব্যবসায় উদ্যোগ এর পার্থক্যঃ সাধারণ অর্থে যে কোন কাজের কর্মপ্রচেষ্টাই উদ্যোগ। উদ্যোগ যেকোনাে বিষয়েই হতে পারে। ব্যবসায় উদ্যোগ বলতে বােঝায় লাভবান হওয়ার আশায় লােকসানের সম্ভাবনা জেনে ও ঝুকি নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠা জন্য দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়া ও সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা।
যে ব্যক্তি দৃঢ় মনােবল ও সাহসিকতার সাথে ফলাফল নিশ্চিত জেনেও ব্যবসায় স্থাপন করেন ও সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করেন, তিনি ব্যবসায় উদ্যোক্তা বা শিল্পোদ্যোক্তা। সুতরাং বলা যায় ব্যবসায় উদ্যোগ এবং উদ্যোক্তা শব্দটি একটি অন্যটির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। উদ্দীপকে সুমন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কক্সবাজারে একটি আধুনিক হােটেলে স্থাপন করেন।

ব্যবসায় উদ্যোগের বৈশিষ্ট্য উদ্যোগ: 
যে কোন বিষয়ের ব্যাপারেই হতে পারে কিন্তু লাভের আশায় ঝুঁকি নিয়ে অর্থ ও শ্রম বিনিয়োগ করাই হলো ব্যবসায় উদ্যোগ। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, মনে কর তুমি বাঁশ ও বেত দিয়ে সুন্দর সুন্দর জিনিস তৈরি করতে পার। এখন নতুন এক ধরনের বেতের চেয়ার দেখে সেটা বানানোর চেষ্টা করলে। এটি তোমার উদ্যোগ। এখন তুমি যদি অর্থসংগ্রহ করে বাঁশ ও বেতের সামগ্রি তৈরির দোকান ন্থাপন করে সফলভাবে ব্যবসায় পরিচালনা কর, তখন এটি হবে ব্যবসায় উদ্যোগ। ব্যবসায় উদ্যোগের ধারণা বিশ্লেষণ করলে 
যে সকল বৈশিষ্ট্য ও কার্যাবলি লক্ষ্য করা যায় তা হলো ঃ
 ১। এটি ব্যবসায় স্থাপনের কর্ম উদ্যোগ। ব্যবসায় স্থাপনসংক্রান্ত সকল কর্মকাণ্ড সফলভাবে পরিচালনা করতে ব্যবসায় উদ্যোগ সহায়তা করে। 
২। ঝুঁকি আছে জেনেও লাভের আশায় ব্যবসায় পরিচালনা। ব্যবসায় উদ্যোগ সঠিকভাবে ঝুঁকি পরিমাপ করতে এবং পরিমিত ঝুঁকি নিতে সহায়তা করে। 
৩। ব্যবসায় উদ্যোগের ফলাফল হলো একটি ব্যবসার প্রতিষ্ঠান । এর মানে হলো ব্যবসায় উদ্যোগ সম্পর্কে ধারণা কোনো চিন্তা ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সহায়তা করে। 
৪। ব্যবসায় উদ্যোগের অন্য একটি ফলাফল হলো একটি পণ্য বা সেবা। 
৫। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানটি সফলভাবে পরিচালনা। 
৬। নিজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে একজন উদ্যোক্তা নিজের উপার্জনের ব্যবস্থা করতে পারেন। 
৭। অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগ মালিকের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থানের সূযোগ সৃষ্টি করেন। 
৮। নতুন সম্পদ সৃষ্টি করা। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে যেমন মানবসম্পদ উন্নয়ন হয় তেমনি মূলধনও গঠন হয়। 
৯। সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখা। ব্যবসায় উদ্যোগ দেশের আয় বৃদ্ধি ও বেকার সমস্যার সমাধানসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও অবদান রাখতে পারে। 
১০। মুনাফার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা গ্রহণ করা। ব্যবসায় উদ্যোগ উদ্যোক্তাদের সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে অণুপ্রাণিত করে। 

উদ্যোক্তা হলেন ব্যবসায় বা শিল্পের নেতা। তিনি যেভাবে নেতৃত্ব দেন ব্যবসায় বা শিল্পও সেভাবে গতিপ্রাপ্ত হয়। যদিও অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মীথ ও ডেভিড রিকার্ডো অর্থনৈতিক উন্নয়নে উদ্যোক্তার ভূমিকাকে তেমন কোনো স্বীকৃতি দেননি। কিন্তু আধুনিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে উদ্যোক্তার ভূমিকা আজ সর্বজন স্বীকৃত।
 
১. দূরদর্শিতা: দুরদৃষ্টিসম্পন্ন উদ্যোক্তা ভবিষ্যত পরিবর্তনশীল বিভিন্ন অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে পূর্বানুমান করতে পারেন এবং অর্থনৈতিক মূল্যসম্পন্ন নানা পণ্য সামগ্রী, সেবাকর্ম, ধারণা, বাজার ও উৎপাদন প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করে নিজের ও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করে।

২. কৃতিত্বার্জন প্রেষণা: কৃতিত্বার্জন প্রেষণা হল একজন মানুষের নতুন কিছু করার আকাঙ্খা। প্রত্যেক মানুষের মাঝে কম বেশি কৃতিত্বার্জন আকাঙ্খা বিদ্যমান থাকে। যে ব্যক্তির ভিতরে যত বেশি কৃতিত্বার্জনের আকাঙ্খা বিদ্যমান থাকবে সে ব্যক্তি তত বেশি উদ্যোক্তা হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠালাভ করবে। ডেভিড সি. ম্যাক্লিল্যান্ড এ ধারণার প্রবক্তা।

৩. উদ্ভাবনী শক্তি: সফল উদ্যোক্তা অবশ্যই একজন সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী ক্ষমতার অধিকারী ব্যক্তি। ভবিষ্যত সম্ভাব্য চাহিদা ও প্রয়োজনের সাথে সঙ্গতি রেখে উদ্যোক্তা নতুন নতুন পণ্য বা সেবা ধারণা, কর্মপন্থা, উৎপাদন কৌশল, বাজারে নব নব প্রযুক্তি ব্যবহার, তহবিল ও নতুন কাঁচামালের উৎস সন্ধানের প্রয়াস চালান।

৪. ঝুঁকি গ্রহণের ক্ষমতা: যে কোনো আর্থিক উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষেত্রে লোকসান বা ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। আবার ঝুঁকি গ্রহণ ছাড়া মুনাফা অর্জন সম্ভব নয়। যে উদ্যোক্তার মধ্যে বেশি ঝুঁকি গ্রহণের মনোবল আছে সে উদ্যোক্তা তত বেশি সফল।

৫. সাংগঠনিক দক্ষতা: ব্যবসায়ের জন্য প্রয়োজনীয় উপায় উপকরণ সুষ্ঠুভাবে সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও যথাযথভাবে কাজে লাগানোর উপর প্রতিষ্ঠানিক সফলতা নির্ভর করে। এ কারণে একজন উদ্যোক্তার সাংগঠনিক দক্ষতা থাকা বাঞ্ছণীয়।

৬. প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা: উদ্যোক্তা হিসেবে জন্মগত কিছু গুণাবলি থাকা সত্ত্বেও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায় জগতে টিকে থাকতে হলে তাঁকে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে উদ্যোক্তা আরো দক্ষ হয়ে ওঠে।

৭. ধৈর্য্য ও কষ্টসহিষ্ণুতা: বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায় জগতে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও পরিচালনার জন্য উদ্যোক্তাকে অত্যন্ত ধৈর্য্যশীল ও পরিশ্রমী হতে হয়। বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে ধৈর্য্যরে সাথে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে উদ্যোক্তা উদ্দেশ্য হাসিল করে।
 
ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে ওঠার অনুকূল পরিবেশ চিহ্নিত করতে পারবেন।

পৃথিবীর বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশকে লক্ষ করলে দেখা যায়, তাদের উন্নতির প্রধান কারণ হলো নতুন নতুন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান স্থাপনা, পরিচালনা ও সম্প্রসারণের অনুকূল পরিবেশ। বাংলাদেশে মেধা, উদ্যোগ, মনন ও দক্ষতার অভাব না থাকলেও ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে ওঠার অনুকূল পরিবেশ মোটেই সন্তোষজনক নয়। ব্যবসায় উদ্যোগ গড়ে ওঠা ও বিকাশের জন্য নিচের অনুকূল পরিবেশ থাকা আবশ্যক।

১। উন্নত অবকাঠামো: ব্যবসায় স্থাপনা ও পরিচালনার জন্য যে সকল সুযোগ-সুবিধা যেমন: বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, পরিবহণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ইত্যাদি প্রয়োজন তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা।

২। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা: একটি দেশের ব্যবসায় বান্ধব পরিবেশ গঠনে সবচেয়ে সহায়ক ভুমিকা পালন করে রাষ্ট্র তথা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা। কারণ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশের ব্যবসায় উদ্যোগের সম্প্রসারণ ও সমৃদ্ধি ঘটে থাকে। কর অবকাশ, স্বল্প বা বিনা সুদে ঋণ প্রদান, মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানিতে এবং উৎপাদিত পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক সুবিধা প্রদান ইত্যাদি ব্যবসায় উদ্যোগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারে।

৩। আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতা: যে কোনো দেশের ব্যবসায় উদ্যোগের সমৃদ্ধি তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জরুরি। এগুলোর অস্থিরতা ব্যবসায় উদ্যোগের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে।

৪। অনুকূল আইন-শৃঙ্ঘলা ও নিরাপত্তা: দেশের সুষ্ঠু ও সাবলীলভাবে ব্যবসায় পরিচালনা ও সম্প্রসারনের জন্য অনুকূল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রয়োজন। এ কারণে মানুষের জান ও মালের নিরাপত্তা বিধান না করতে পারলে ব্যবসায়ের অগ্রগতি সম্ভব নয়।

৫। প্রশিক্ষণের সুযোগ- সুবিধা: টেকসই ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায় উদ্যোগের জন্য উন্নত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। যত বেশি প্রশিক্ষণের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা যাবে, তত বেশি মানসম্মত পণ্য ও সেবা উৎপাদনকারী শিল্প, কল-কারখানা বিনির্মাণ সম্ভব হবে।

৬। পর্যান্ত মূলধনের সহজপ্রাপ্যতা: যে কোনো ব্যবসায় উদ্যোগ সফল ও দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন করার জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত পরিমাণ পুঁজি বা মূলধন। উপযুক্ত সময়ে ও সঠিক পরিমাণ মূলধনের অভাবে অধিকাংশ ব্যবসায় স্থাপন ও পরিচালনা সম্ভব হয় না। তাই দেশে এরূপ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে যাতে ব্যবসায় উদ্যোগে কোনো পুঁজির ঘাটতি না হয়।

আর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যবসায় উদ্যোগের গুরুত্ব (Importance of Business Entrepreneurship in Socio Economic Development): বাংলাদেশ একটি উন্নয়শীল দেশ। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০১০ অনুযায়ী আমাদের মােট জাতীয় উৎপাদনের প্রায় ৫০ ভাগ আসে সেবা খাত থেকে, প্রায় ২০ ভাগ আসে কৃষি খাত থেকে আর বাকি ৩০ ভাগ আসে শিল্প খাত থেকে। যে কোনাে দেশের উন্নয়নে শিল্পখাত মুখ্য ভূমিকা পালন করে। ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে শিল্পখাতসহ সকল খাতেরই উন্নয়ন সম্ভব। ব্যবসায় উদ্যোগ নিম্নোক্তভাবে আমাদের দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

সম্পদের সঠিক ব্যবহার : ব্যবসায় উদ্যোগ আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ ও মানব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করে। তাছাড়া নতুন নতুন শিল্প স্থাপনের মাধ্যমে বিনিয়ােগ বৃদ্ধি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব।

জাতীয় উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি : ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। ফলে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত জাতীয় আয় বৃদ্ধির লক্ষমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হয়। 

নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি : সরকারের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের মাধ্যমেও দেশে শিল্প কারখানা স্থাপন, পরিচালনা ও সম্প্রসারণ হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে নিত্যনতুন কর্মসংস্থানের সুযােগ সৃষ্টি হয় যা বেকার সমস্যা দূর করতে উল্লেখযােগ্য ভূমিকা রাখে। 
দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি : বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। আমাদের এই বিশাল জনসংখ্যাই আমাদের সম্পদ হতে পারে। কারণ ব্যবসায় উদ্যোক্তা দেশের অদক্ষ জনগােষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে নিয়ােজিত করে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে পারে।
পরনির্ভরশীলতা দূরীকরণ : ব্যবসায় উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রনির্ভরশীলতা অনেকাংশে হ্রাস করতে পারি। ব্যবসায় উদ্যোগের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা একদিন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারব।

Class 9 12th Week Geography Subject Assignment

Class 9 12th Week Geography Subject Assignment

Class 9 Geography Subject Assignment Answer 

Here you will get class 9 Geography Subject 12th Week assignment question & answer 2021.

নবম শ্রেণি ভূগোল ও পরিবেশ ১২তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান

সূচনা: পৃথিবী আমাদের আবসস্থল। পৃথিবীর চারদিকে ঘিরে রয়েছে অসীম মহাকাশ।সৈারজগতের কেন্দ্রে সূর্য রয়েছে। মহাকাশে এরূপ বহু নক্ষএ রয়েছে।পাশাপাশি চন্দ্র(উপগ্রহ), পৃথিবী (গ্রহ), ধুমকেতু, উল্কা,নীহারিকা প্রভৃতি রয়েছে । ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে আমাদের এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের সকল জ্যোতিষ্ক এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। এ অধ্যায়ে আমরা মহাকাশ, মহাবিশ্ব, সৌরজগৎ, পৃথিবী ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করব।

আমরা সবাই জানি পৃথিবী এবং সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ সূর্যের চারপাশে ঘোরে। প্রতিটি গ্রহই দু’ভাবে ঘোরে, একটা তার নিজের অক্ষে, যেটাকে বলা হয় আহ্নিক গতি। পৃথিবীর এই আহ্নিক গতির কারণে দিন এবং রাত হয়।

পাশাপাশি পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। এই ঘোরাকে বলা হয় পৃথিবীর বার্ষিক গতি। সূর্যকে ঘুরে আসতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা। এই সময়কালকে এক বছর বা এক সৌর বছর বলে।
 
পৃথিবীর এই বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন হয়।

তোমরা হয়তো জান, পৃথিবীকে ঠিক মাঝখান থেকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছে একটি রেখার মাধ্যমে, যার নাম বিষুব রেখা। এই বিষুব রেখার একপাশের অংশকে বলা হয় দক্ষিণ গোলার্ধ, অন্যপাশকে বলে উত্তর গোলার্ধ।
পৃথিবী যখন সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, তখন সূর্যের দিকে খানিকটা হেলে থাকে। পৃথিবী যেহেতু তার নিজ অক্ষেও ঘোরে, তাই বিভিন্ন সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন অংশ সূর্যের দিকে হেলে থাকে। এভাবে কখনো দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের কাছে চলে যায়, কখনো যায় উত্তর গোলার্ধ। যখন যে অংশ সূর্যের দিকে হেলে পড়ে তখন সে অংশ খাড়াভাবে বেশিক্ষণ ধরে সূর্যের আলো এবং তাপ পায়। আর তখন সেই অংশে বেশি গরম পড়ে, অর্থাৎ গ্রীষ্মকাল থাকে।
একটা অংশ সূর্যের কাছে থাকা মানে তার উল্টো দিকের অংশটা থাকবে সূর্য থেকে দূরে। আর দূরে থাকলে কী হবে? সেই অংশটা কম তাপ এবং আলো পাবে। তখন সেই অংশে থাকবে শীতকাল।

কখনো খেয়াল করেছ বাংলাদেশে যখন গ্রীষ্মকাল থাকে, অস্ট্রেলিয়ায় তখন শীতকাল থাকে। আবার ওদের যখন গ্রীষ্ম থাকে, তখন আমাদের থাকে শীত। এবার বুঝেছ সেটা কেন হয়? কারণ অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ এবং বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধের দেশ। আর উত্তর গোলার্ধে যখন শীত থাকবে, দক্ষিণ গোলার্ধে থাকবে গরম। একইভাবে উত্তর গোলার্ধে গরম থাকলে দক্ষিণে থাকবে শীত।

বুঝেছ কীভাবে ঋতু পরিবর্তন হয়? এবার ভাবো তো, যদি পৃথিবী সূর্যের চারপাশে না ঘুরত, তবে তো সবসময় একটা দেশে একটাই ঋতু থাকত। তখন কী হতো? ‘তখন কী হতো’- একথা যেন আমাদের ভাবতে না হয় সেজন্যই পৃথিবী সারাক্ষণ সূর্যের চারপাশে এবং নিজের অক্ষে ঘুরে চলেছে। আর আমরাও পাচ্ছি ছয়টা ভিন্ন ভিন্ন ঋতু।
 
পৃথিবী একটি নির্দিষ্ট গতিতে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ক্রমাগত পাক খেতে খেতে তার কক্ষপথ ধরে সূর্যের চারিদিকে আবর্তন করছে। এইভাবে একটি পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করতে পৃথিবীর সময় লাগে 365 দিন 6 ঘণ্টা 56 মিনিট 54 সেকেন্ড। এইরূপ গতিকে বলা হয় পৃথিবীর বার্ষিক গতি।

একবার সূর্যকে পরিক্রমণ করতে পৃথিবীর সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। একে সৌরবছরবলে।
৪ বছরে একবার ফেব্রুয়ারি মাসকে একদিন বাড়িয়ে ২৯ দিন করা হয় এবং ঐ বছরটিকে ৩৬৬ ধরা হয়। সেই বছরকে লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ বলে।
আর্যভট্ট আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতি প্রথম আবিষ্কার করেন।পৃথিবী নিজ অক্ষের চারদিকে ঘুরছে এবং একই সঙ্গে উপবৃত্তাকার পথে একবার সূর্যের চারদিকে ঘুরে আসে। আপন কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পৃথিবীর এই পরিক্রমণকে বার্ষিক গতি বলে। পৃথিবীর বার্ষিক গতির ফলে ঋতু পরিবর্তন ঘটে এবং দিন-রাত্রি ছোট-বড় হয়। পৃথিবী সবসময়ই সূর্য থেকে আলো ও তাপ পেয়ে থাকে। তবে পৃথিবীর সব স্থান বছরের সব সময় সমান আলো ও তাপ পায় না।

এর কারণ পৃথিবী হেলানো অবস্থায় সূর্যের চারদিকে ঘোরে। হেলানো অবস্থায় সূর্যের চারদিকে ঘোরে বলে কখনো উত্তর মেরু সূর্যের কাছাকাছি আসে এবং দক্ষিণ মেরু দূরে সরে যায়। আবার এক সময় এর ঠিক উল্টোটাও ঘটে। আবার কখনো উত্তর মেরু সমান দূরত্বে থাকে। যখন পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের কাছাকাছি থাকে তখন সে অংশ তাপ ও আলো বেশিক্ষণ ধরে পায়। ফলে পৃথিবীর সে অংশে দিন বড় ও রাত ছোট হয়।

আর তাপ বেশি পায় বলে সে সময়টা হয় সে স্থানের জন্য গ্রীষ্মকাল। এর বিপরীত অংশে তখন তাপ কম পায় বলে শীতকাল হয় এবং আলো কম পায় বলে রাত বড় হয়। বার্ষিক গতির কারণে পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে ২১ জুন দিন সবচেয়ে বড় ও রাত সবচেয়ে ছোট হয়। ২২ ডিসেম্বর দক্ষিণ গোলার্ধ সূর্যের দিকে বেশি ঝুঁকে থাকে বলে ওইদিন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং রাত সবচেয়ে ছোট হয়।
12th Week Class 9 Assignment 2021

Class 9 Assignment 12th Week

On this section, we will give all subject 12th Week assignment answer for class 6. From here, you can download each subject assignment for Class 9. However, on the 12th Week assignment, students will get an assignment for the following subjects.

12th Week Class 9 Assignment Answer 2021

Class 9 12th Week Assignment Answer 2021 is available on this post. Read carefully and write your assignment.

This Post Related Search: Class 9 answer 12th Week, 12th Week assignment answer Class 912th Week Class 9 answersClass 9 assignment answer englishClass 9 assignment 2021Class 9 assignment 5th weekClass 9 assignment islam answerClass 9 assignment scienceClass 9 assignment questionClass 9 assignment answer mathClass 9 assignment answer MathematicsClass 9 assignment 12th Week answer.