Class 10 2nd week Assignment 2022

2

Class 10 2nd week Assignment 2022

Class 10 2nd week Assignment 2022 has been published. This assignment is published today. Bangla and ICT have been selected for this week. Students will create assignment solutions for two subjects and submit them to their respective schools.

Read More: Class 10 1st Week Assignment 2022

Institutional activities have been closed in Bangladesh for a long time. In this situation, assignment activities have been started to keep the students connected with education. Through this the Class Eight syllabus will be completed. Students are being given two assignments every week. Students are writing their answers and submitting them to their respective schools. Already 16 assignments have been published for Class 10 students. Assignments will continue to be published every week.

Class 10 2nd week Assignment 2022

Class 10 2nd week assignment 2022 has been published on 22 February 2022. This week's assignment activities will start on 22 February 2022. It will continue for a week. The 2nd week assignment will be published at the end of the 2nd week assignment.

Class 10 2nd week English Assignment 2022

Class Nine 2nd Week English Subject Assignment 2022
Class 10 2nd week English Assignment 2022

Class 10 2nd week English Assignment Answer 2022

Class Nine 2nd Week English Subject Assignment Answer 2022
Class 10 2nd week English Assignment Answer 2022

Or
25 March 1971 - Genocide Day
On the night of 25 March, the Pakistani military began a violent crackdown to suppress the Bengali opposition. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was arrested and taken to West Pakistan. British journalist Simon Dring, in hiding, reported a massacre unfolding.
26 March 1971 - Declaration of independence
Before his arrest, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman called upon his people to resist Pakistani forces of occupation in a declaration that read,

“This may be my last message, from today Bangladesh is independent. I call upon the people of Bangladesh wherever you might be and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. Your fight must go on until the last soldier of the Pakistan occupation army is expelled from the soil of Bangladesh and final victory is achieved.”

This declaration of independence marks the beginning of the Bangladesh Liberation War and is observed as Bangladesh Independence Day.

1971 - Awami League proclaims independence of the province as Bangladesh. Pakistan is defeated in brief war, with Indian assistance.

1972 - League leader Sheikh Mujibur Rahman becomes prime minister and begins a programme of nationalising key industries.

1974 - Severe floods devastate much of the grain crop, leading to an estimated 28,000 deaths.

1975 - Sheikh Mujibur Rahman is assassinated in a military coup in August. Martial law is imposed.

Bangladeshi leader Ziaur Rahman pictured in 1980
Image caption,Ziaur Rahman, pictured with Indian Prime Minister Indira Gandhi, was assassinated in 1981
1977 - General Ziaur Rahman becomes president.

1981 - President Ziaur Rahman is assassinated in abortive coup.

2016 July - The Islamic State group claims an attack on a cafe in Dhaka's diplomatic quarter in which 20 hostages, including 18 foreigners, are killed, but the government rejects the claim saying the militant group Jamaat-ul-Mujahideen was responsible.

2017 October - The number of Rohingya Muslims who fled military action in Myanmar's Rakhine state and sought refuge in Bangladesh is estimated at one million.

2018 February - Opposition leader Khaleda Zia is sentenced to five years in prison for corruption, disqualifying her from contesting the elections later in the year.

2018 December - Governing Awami League wins landslide victory in parliamentary election, but the campaign was marred by reports of violence, intimidation, and vote-rigging. At least 17 people died in clashes between Awami League and opposition supporters.

Class 10 2nd week Bangla 2nd Paper Assignment 2022

Class Nine 2nd Week Bangla 2nd Paper Subject Assignment 2022
Class 10 2nd week Bangla 2nd Paper Assignment 2022

Class 10 2nd week Bangla 2nd Paper Assignment Answer 2022

Class Nine 2nd Week Bangla 2nd Paper Subject Assignment Answer 2022
উপসর্গ যােগে শব্দ গঠন : বাংলা ভাষায় কিছু বদ্ধরূপমূল তথা শব্দাংশ রয়েছে যারা ধাতু বা প্রাতিপদিকের পূর্বে বসে এবং শব্দের অর্থের পরিবর্তন , পরিবর্ধন কিংবা সংকোচন সাধন করতে পারে । এদের উপসর্গ বলা হয় । এদের অর্থবাচকতা না থাকলেও অর্থদ্যোতকতা রয়েছে । অর্থাৎ , এরা নিজেরা স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে সক্ষম না হলেও অন্য কোনাে ভাষিক উপাদানের সঙ্গে বসে এরা অর্থের নানাবিধ রূপান্তর ঘটাতে পারে ।

শব্দের শুরুতে যােগ হয়ে এটি নতুন শব্দ তৈরি করতে পারে , অর্থের সম্প্রসারণ ঘটাতে পারে , অর্থের সংকোচন ঘটাতে পারে এবং কখনও কখনও পুরাে অর্থটিই পাল্টে দিতে পারে । যেমন , ‘ অপ ’ একটি উপসর্গ , যা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত না হলেও সাধারণত কোনাে ক্ষতিকারক কিছুর দ্যোতনা তৈরি করে । উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে , এটি যখন কার’ এর আগে বসে তখন অর্থের সংকোচন ঘটিয়ে নতুন শব্দ ‘ অপকার ’ তৈরি করে ।

আবার এটি যখন ‘ রূপ ‘ এর আগে বসছে তখন একদিকে ‘ অপ ’ অংশটির সাধারণ যে অর্থদ্যোতনা তা পাল্টে গিয়ে ‘ অপরূপ শব্দ তৈরির মধ্য দিয়ে রূপ ’ শব্দটির অর্থের প্রসারণ ঘটাচ্ছে । অপর একটি উপসর্গ ‘ অ বিভিন্ন শব্দ যেমন ভাব ’ এর আগে বসে সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ বিশিষ্ট অভাব তৈরি করছে । অর্থাৎ , এখানে উপসর্গ শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে ।

প্রত্যয় যােগে শব্দ গঠন : বাংলা ভাষায় ধাতু কিংবা প্রাতিপদিকের পরে বিভিন্ন বদ্ধরূপমূল যুক্ত হয় । এই বদ্ধরূপমূলগুলােকে প্রত্যয় নামে অভিহিত করা হয় । গঠন অনুসারে দুই রকমের প্রত্যয় বাংলা ভাষায় রয়েছে । এগুলাে হলাে : কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয় । কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয় ধাতুর সঙ্গে এবং তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয় প্রাতিপদিকের সঙ্গে । উল্লেখ্য যে , | ক্রিয়াশব্দের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল বা ক্রিয়াপ্রকৃতি ।

অপরদিকে , বিভক্তিবিহীন নামশব্দকে বলা হয় প্রাতিপদিক বা নামপ্রকৃতি । অর্থাৎ , ক্রিয়া কিংবা নামশব্দের মূল অংশকে ১ সাধারণভাবে প্রকৃতি বলা হয় । এই সকল মূল অংশের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার শর্তেই এদের প্রকৃতি হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে । প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সামর্থ্য রয়েছে এমন প্রকৃতি তথা ধাতু এবং প্রাতিপদিক উভয়ই অবিভাজ্য রূপমূল হয় এবং এদের সঙ্গে নির্দিষ্ট প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় । উদাহরণস্বরূপ বলা যায় যে , মুক্তরূপমূল ‘ শােন একটি ধাতু এবং এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে বদ্ধরূপমূল তথা প্রত্যয় আ ‘ । এর ফলে , নতুন শব্দ গঠিত হবে ‘ শােনা ‘ ।
আবার মুক্তরূপমূল ‘ ঘর ’ একটি প্রাতিপদিক এবং এর সঙ্গে ‘ আমি ’ প্রত্যয় তথা বদ্ধরূপমূল যুক্ত হয়ে তৈরি হতে পারে নতুন শব্দ ঘরামি । এভাবে প্রকৃতি এবং প্রত্যয় যােগে বাংলা ভাষায় নতুন শব্দ গঠিত হয় । বাংলা ব্যাকরণে ধাতু চিহ্নিত করার জন্য নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক চিহ্ন ( √ ) ব্যবহৃত হয় ।
অর্থাৎ বল্ মানে বল্ ধাতু । অর্থাৎ , বাংলা ভাষায় প্রকৃতি দুই প্রকার : নামপ্রকৃতি ও ক্রিয়াপ্রকৃতি ।

নামপ্রকৃতির কয়েকটি উদাহরণ হলাে : লাজ , বড় , ঘর প্রভৃতি । অপরদিকে , ক্রিয়াপ্রকৃতির কয়েকটি উদাহরণ হলাে- পড়ু , নাছ , || জিত্ প্রভৃতি । একইভাবে , গঠন অনুসারে বাংলা ভাষায় প্রত্যয় দুই প্রকার : কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয় । কৃৎ প্রত্যয়ের কয়েকটি উদাহরণ হলাে : -উক , -আই , – আমি এবং তদ্ধিত প্রত্যয়ের কয়েকটি উদাহরণ হলাে : -উয়া , -উনে এবং -আ ।

সমাসের সাহায্যে শব্দ গঠন : বাংলা ভাষায় সমাস মূলত এক ধরনের যৌগিকীকরণ । অর্থাৎ , এর সাহায্যে একাধিক শব্দ মিলিত হয়ে যৌগিক শব্দ তৈরি হয় । বলা চলে যে , বাগর্থগত সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক শব্দে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াই হলাে সমাস । এর সাহায্যে ভাষাকে সংহত ও সংক্ষেপিত করা সম্ভব হয় । ভাষার ব্যবহারিক মাধুর্য বৃদ্ধি পায় । সমাসের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু পরিভাষা হলাে ব্যাসবাক্য , সমস্তপদ , সমস্যমান পদ , পূর্বপদ এবং পরপদ ।

নিচের একটি উদাহরণ এই পরিভাষাসমূহের পরিচয় তুলে ধরতে সক্ষম । বিদ্যালয় একটি সমাসবদ্ধ শব্দ । অর্থাৎ , এই সমাসের সমস্তপদটি হলাে ‘ বিদ্যালয় ‘ ; আর এর ব্যাসবাক্য হলাে : ‘ বিদ্যার আলয় । এখানে সমস্যমান পদগুলাে হলাে : বিদ্যা , আলয় এবং ষষ্ঠী বিভক্তি র ‘ । এই সমাসের পূর্বপদ হলাে বিদ্যা এবং পরপদ হলাে আলয় ।
সমাস হলাে শব্দগঠনের প্রক্রিয়া । আর তাই একই শব্দ কখনও কখনও একাধিক প্রক্রিয়ায় সমাসনিষ্পন্ন হতে পারে । এ কারণে ব্যাসবাক্য অনুসারেই সমাস নির্ণয়ের প্রয়ােজন হয় । বাংলা ভাষায় প্রধাণত ছয় প্রকারের সমাস রয়েছে । এগুলাে হলাে : দ্বন্দ্ব , কর্মধারয় , তৎপুরুষ , বহুব্রীহি , দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব । এছাড়া কিছু অপ্রধান সমাসও রয়েছে । যেমন : প্রাদি , নিত্য , সুপসুপা প্রভৃতি । পূর্বপদ কিংবা পরপদের প্রাধান্যের ওপর ভিত্তি করে সাধারণত সমাস নির্ণয় করা হয়ে থাকে ।
খ) মমতাদি গল্প থেকে সাধিত শব্দের বিশ্লেষণঃ
উপসর্গ
১) অপ্রতিভ = অ+প্রতিভ = বাংলা উপসর্গ 
২) অনাসৃষ্টি = অনা + সৃষ্টি =  বাংলা উপসর্গ
৩)  হরেক = হর +  এক =  হিন্দি উপসর্গ
৪)  ইতিহাস =  ইতি +  হাস = বাংলা উপসর্গ
৫)  অবহেলা = অব +  হেলা = হিন্দি উপসর্গ 

প্রত্যয়
১) কৃতজ্ঞ =  কৃত + √ জ্ঞা + অ = কৃৎ প্রত্যয় 
২) রাধুনী = √ রাধ +  উনি =  কৃৎ প্রত্যয়
৩)  হাসি = √  হাস্ +  ই =  কৃৎ প্রত্যয়
৪) রান্না = √ রাঁধ + না =  কৃৎ প্রত্যয় 
৫) লালচে =  লাল + চে =  তদ্ধিত প্রত্যয়
৬)  শোনা = √ শুন্ + আ = কৃৎ প্রত্যয়
৭) রূঢ় = রুহ্ + ত = তদ্ধিত প্রত্যয়
৮) বকুনি = √  বক্ + উনি =  কৃৎ প্রত্যয়
৯) ঈষ ৎ = √ ঈষ্ + অৎ =কৃৎ প্রত্যয়
১০) ছটফটে = √  ছটফট + ইয়া =  কৃৎ প্রত্যয় 

সমাস 
১) অনাহার = নাই আহার = নঞ্   তৎপুরুষ সমাস 
২) আমরা  =  আমি, তুমি ও সে =  নিত্য সমাস
৩) রান্নাঘর = রান্নার নিমিত্তে ঘর =  কর্মধারয় সমাস (চতুর্থ তৎপুরুষ)
৪) অনার্থ = “ ন”  অর্থ = নঞ্চ তৎপুরুষ সমাস
৫) টাকা পয়সা =  টাকা  ও পয়সা =  দ্বন্দ্ব সমাস
৬) তৎপর =  তৎ ( তা)  পর ( প্রদান )  যার =  বহুব্রীহি সমাস 

Class 10 2nd week Science Assignment 2022

Class Nine 2nd Week Bangladesh and Global Studies Subject Assignment 2022
Class 10 2nd week Science Assignment 2022

Class 10 2nd week Science Assignment Answer 2022

Class Nine 2nd Week Science Subject Assignment 2022
Class 10 2nd week Science Assignment Answer 2022

Class 10 2nd week Bangladesh and Global Studies Assignment 2022

Class Nine 2nd Week Bangladesh and Global Studies Subject Assignment 2022
Class 10 2nd week Bangladesh and Global Studies Assignment 2022

Class 10 2nd week Bangladesh and Global Studies Assignment 2022

Class Nine 2nd Week Bangladesh and Global Studies Subject Assignment 2022
নদ-নদীর উপরে জনবসতি নির্ভরশীল কেন তা ব্যাখ্যা করতে হবে।,
পৃথিবীর ইতিহাস খুঁজতে গেলে দেখা যায় প্রায় সকল বড় বড় মানবসভ্যতা গড়ে ওঠেছিল নদী তীরে। নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে নগর, বন্দর, শহর, গ্রাম, জেলেপাড়া, বাণিজ্যকেন্দ, প্রভৃতি। এই নদীকে ঘিরেই ছিল আদিকালের যাতাযাতের সকল ব্যবস্থা। জাহাজে, নৌকায় চড়ে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত মানুষ ঘুরে বেড়িয়েছে। কৃষি, মৎস্য, জেলেদের পেশা এবং সংস্কৃতির পাশাপাশি মানুষের নিত্যদিনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক সম্পদ সকল কিছুর একমাত্র উৎস ছিল নদী। নদী আজ দখল, দূষণ আর ভরাটের প্রতিযোগিতায় বিপন্ন; অনেকাংশে বিলুপ্ত।
নিকট অতীতেও নেত্রকোনা জেলায় জালের মতো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো ৫৮টি ছোট বড় নদী। নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে এই এলাকার মানুষের জীবন, পেশা, কৃষি, ব্যবসা, খাদ্য-পুষ্টি। নদী ছিল এই এলাকার সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। নদীই ছিলো মানুষের প্রাণ।

কত বাহারি নামের নদীই না ছিলো নেত্রকোনার ভুমিতে। ধনু, ধলাই, গুনাই, ঘোড়াউতরা, পিয়াইন, মগড়া, কংস, সাইডুলি, পাঠেশ্বরী, তুষাই, মহাদেও, গণেশ্বরী, নাগঢড়া, কালমগড়া, বিষনাই, ভোগাই কংস, উবদাখালী, মরাসুরমা, পিয়াং,পাটকুড়া,রাজরাজেশ্বরী, লাউয়ারি, কালিহর, সাপমারা, বেতাই, খারছা, চেন্নাই, হলোলিয়া, বন্নী, বয়রাহালা, বালই,চেলাই, গন্টবতী, বালিয়া, মঙ্গেশ্বরী,রাজাখালি,বৌলাই, বিষনাইল, ধনাইখালি, লারখালি, গোলামখালি, রাঙ্গাধাইর, কাউনাই, খরপাই, আতরখালি, দিংঘানা, চেল্লাখালি, দেওদিয়া, মারিসি, মলিজি, ভূগাই, নিতাই, খানিগাঙ, শলাখালি,সোয়াই, মাদল মরানদী, বালচ, প্রভৃতি। বর্তমানে ৭ থেকে ৮ টি নদী ছাড়া বাকী নদীগুলো বিপন্ন; কোন কোনটা বিলুপ্ত। মরাখালে পরিণত হয়েেেছ নদীগুলো। যে কারণে বর্তমান সময়ে এসে নদীর নামের শেষে খালি শব্দ যুক্ত হয়েছে।

নদীকে কেন্দ্র করে চলতো কৃষকের কৃষি কাজ। এ অঞ্চলের খাদ্য যোদ্ধারা বন্যা, খরা, বজ্রপাতসহ প্রতিকুল পরিবেশ, আফাল, পাহাড়ি ঢল, রোগবালাইয়ের সাথে যুদ্ধ করে ঘরে তুলতো খাদ্যসম্পদ। নদী থেকে পানি তুলে সেচ দিয়ে চলতো কৃষি কাজ। বর্তমানে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নেত্রকোনা অঞ্চলের কৃষিকেরা সেচের পানিরজন্য সম্পুর্ণভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে মাটির নীচের পানির উপর। অধিক ফলন ও খাদ্যনিরাপত্তার নামে বাহিরের প্রযুক্তির ব্যবহার করে তুলছে মাটির নীচের পানি।
নদী আমাদের অস্তিত্ত্বের অংশ। নদী আমাদের নান্দনিকতার উৎস। নদীর আত্মহনন বা হত্যা দিয়ে আমরা সভ্যতা ও সংস্কৃতির সচল ধারাকে অবলুপ্ত করতে চাই না। সভ্যতা প্রবহমান; সংস্কৃতি চলমান ধারায় পরিবর্তনের অগ্রদূত। নদী সভ্যতা ও সংস্কৃতির প্রধানতম ধারক ও বাহক। নদীকেন্দ্রিক জীবন প্রবাহের এ ধারাকে সজীব ও জীবন নির্ভর করতে হবে।

প্রাকৃতিক সম্পদ কাকে বলে তা ব্যাখ্যা করবে।, 
প্রকৃতিতে যেসব বস্তু স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায় তাকে প্রাকৃতিক সম্পদ বলে। অন্যভাবে বলা যায় প্রকৃতির দানই হচ্ছে প্রাকৃতিক সম্পদ। মানুষের দৈনন্দিন অভাব পূরণে এদের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে - জমি, পানি, জলবায়ু, গাছ-পালা, পশু-পাখি, বিভিন্ন ধরনের খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।

প্রাকৃতিক সম্পদ হলো প্রকৃতি থেকে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক উপাদান, যেগুলো মানুষের অভাব পূরণে সক্ষম। যেমন - ধান, সূর্যের আলো।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি, বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌরতাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। দেশের অর্থনীতিতে এসব প্রাকৃতিক সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্যনিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশের মাটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। অত্যন্ত উর্বর এই মাটিতে ফসল ফলাতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না। মাটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আমাদের কৃষিক ফসল, ফুল, ফল, শাকসবজিসহ বনজ সম্পদের প্রসার ঘটাতে পারি। স্বাধীনতার ৪০ বছরে তিন গুণ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পেরেছে। উন্নত প্রযুক্তি, বীজ, চাষাবাদের নিয়মকানুন মেনে বাংলাদেশে এই মাটিতে আরও বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। তবে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি বাড়িঘর, কলকারখানা, পুল, রাস্তাঘাট, শহর-উপশহর নির্মাণে দেশের উর্বর ভূমি হ্রাস পাচ্ছে।
খাদ্য নিরাপত্তায় পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা উল্লেখ করবে।, 
পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা (Water Resources Management) ব্যবহারযোগ্য পানি আহরণ ও পানি থেকে সমাজের জন্য আবশ্যকীয় পণ্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন ব্যবস্থা। এজন্য পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার আওতাভুক্ত বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে আছে ভৌত-কাঠামো নির্মাণ, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ, এতদ্সংক্রান্ত আর্থিক ব্যবস্থাপনা, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এবং আইন ও নানারকম বিধিবিধান।
বাংলাদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা  প্রাকৃতিক কাঠামো এবং ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সরকার নির্মিত অবকাঠামোর বিভিন্ন অংশ বা উৎপাদন এবং ব্যবহারকারীদের জন্য এসবের লভ্যতা ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিয়ে গঠিত। কৃষি বাংলাদেশের প্রধান অর্থনৈতিক খাত এবং পানি সম্পদের প্রধান ব্যবহারকারী। কৃষিখাত ছাড়া পানির আবাসিক ও বাণিজ্যিক ব্যবহারও ব্যাপক। নদী-নালা এবং পুকুর-বিল-হাওর ইত্যাদি, মৎস্য, বন ও নৌ-পরিবহণ ইত্যাদি খাত ছাড়াও পানি সম্পদ পরিবেশ দূষণ রোধ, লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ, প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও বিনোদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

পানি খাতের প্রকল্প ও কার্যক্রমসমূহ  বাংলাদেশের পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রথাগত ধরন ছিল মূলত বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের জন্য নানাবিধ কাঠামো নির্মাণ। সম্প্রতি বন্যা সতর্কীকরণ ও ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মুক্ত রাখার উপায় সম্বলিত বিকল্প ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পানি ব্যবস্থাপনায় যেসব কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয় সেগুলির মধ্যে আছে:

ক.  গ্রামীণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন- দেশের অভ্যন্তরে এবং উপকূলীয় এলাকাসমূহে বাঁধ নির্মাণ ও পোল্ডার নিক্ষেপ; পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রক পয়েন্ট স্থাপন; নদী শাসন, নদীতীর প্রতিরক্ষা ও নদী খনন।
খ.   শহর এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন-  শহর রক্ষাবাঁধ; শহর এলাকা প্রতিরক্ষা স্থাপনা; রেগুলেটর, পাম্প ইত্যাদি।
গ.   ক্ষুদ্র সেচ- গভীর ও অগভীর নলকূপ; রাবার বাঁধ; খাল পুনঃখনন।
ঘ.   বৃহৎ সেচ- পাম্প; সেচখাল নেটওয়ার্ক; পানি নিষ্কাশন খাল নেটওয়ার্ক; ব্যারেজ ইত্যাদি।
ঙ.   বন্যা থেকে প্রতিরক্ষা- বাস্তভিটা উঁচুকরণ এবং আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ।
চ.   বন্যা সতর্কীকরণ- বন্যা/দুর্যোগ সম্পর্কে পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ, দূর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রস্ত্ততি এবং ব্যবস্থাপনা।
ছ.   পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন- ভুপৃষ্ঠের উপরিস্থ এবং ভূগর্ভস্থ উভয় প্রকার উৎস থেকে সংগৃহীত পানি পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ; পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা; টিউবওয়েলের সাহায্যে খাবার পানি সরবরাহ।
জ.  ড্রেজিং - নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধি ও নৌচলাচল সুগমকরণ।
ঝ.  ঘুর্ণিঝড় মোকাবিলার প্রস্ত্ততি- ভেড়িবাঁধ; ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রভৃতি নির্মাণ।
ঞ. পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন- বাঁধ নির্মাণ, আড়বাঁধ নির্মাণ, নদীশাসন; বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ইত্যাদি।

জাতীয় পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা  পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (ওয়ারপো) ২০০১ সালে একটি খসড়া পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। প্রতি পাঁচ বছর পরপর পরিকল্পনাটি নবায়ন করার কথা। পরিকল্পনায় ৮৪টি কার্যক্রম চিহ্নিত করা হয় এবং সেগুলিকে ৮টি উপখাতে বিভক্ত ও ৮টি পরিকল্পনা এলাকার আওতাভুক্ত করা হয়। চিহ্নিত ৮টি উপখাত হচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, সহায়ক পরিবেশ বিনির্মাণ, প্রধান নদনদী, নগর ও পল্লী এলাকা, প্রধান প্রধান নগর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কৃষি ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, এবং পরিবেশ ও জলাশয়। ৮টি পরিকল্পনা এলাকা হচ্ছে দক্ষিণ-পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব, কেন্দ্রীয় উত্তর, উত্তর-পশ্চিম, কেন্দ্রীয় দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব, পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্যভূমি এবং নদী ও জলাশয় এলাকা। পরিকল্পনায় প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, পরিবেশ বিনির্মাণ এবং পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রাকৃতিক সম্পদের একটি তালিকা প্রস্তুত করে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদগুলাের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করবে।,
প্রাকৃতিক সম্পদ
  • জল
  • বাতাস
  • কয়লা
  • খনিজ তেল
  • প্রাকৃতিক গ্যাস
  • ফসফরাস
  • বন
  • অন্যান্য খনিজ (বক্সাইট)
  • লোহা
  • মাটি
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম। ভূমি, বনভূমি, মৎস্য, খনিজ পদার্থ, সৌরতাপ, প্রাকৃতিক জলাশয় ইত্যাদি এ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। দেশের অর্থনীতিতে এসব প্রাকৃতিক সম্পদকে যথাযথভাবে ব্যবহার করে দারিদ্র্য দূরীকরণ, খাদ্যনিরাপত্তা বিধান এবং উন্নত জীবনমান নিশ্চিত করা সম্ভব। বাংলাদেশের মাটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। অত্যন্ত উর্বর এই মাটিতে ফসল ফলাতে বেশি পুঁজির প্রয়োজন পড়ে না। মাটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে আমাদের কৃষিক ফসল, ফুল, ফল, শাকসবজিসহ বনজ সম্পদের প্রসার ঘটাতে পারি।

স্বাধীনতার ৪০ বছরে তিন গুণ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পেরেছে। উন্নত প্রযুক্তি, বীজ, চাষাবাদের নিয়মকানুন মেনে বাংলাদেশে এই মাটিতে আরও বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। তবে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, মানুষের অর্থনৈতিক উন্নতির পাশাপাশি বাড়িঘর, কলকারখানা, পুল, রাস্তাঘাট, শহর-উপশহর নির্মাণে দেশের উর্বর ভূমি হ্রাস পাচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে ভূমির ব্যবহার না করা হলে জাতীয় জীবনে বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে। অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক সম্পদ হিসেবে পানির গুরুত্বও বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
দেশের নদ-নদী, খাল-বিল, হাওর-বাঁওড়, পুকুর ইত্যাদির পানির ওপর কৃষি ও শিল্প অর্থনীতি সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল। যোগাযোগব্যবস্থাও পানিপথের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। দেশের খনিজ, বনজ, সৌরসহ সব প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার করে দেশ অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হওয়ার পথে অগ্রসর হচ্ছে। জাতীয় আয়ের সিংহভাগই আসে এসব সম্পদকে কাজে লাগানোর মাধ্যমে। কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক সম্পদের চাহিদা ও জোগান বাড়ছে, পণ্য উৎপাদনে প্রাকৃতিক সম্পদের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

Class 10 Assignment 2nd week Answer

Class 10 Assignment 2nd Answer will be created by the students themselves. If necessary, they can be taken the help from teachers, guardians or anyone else. Necessary information can also be collected from the internet.

Before writing the Assignments Answers on Bangla and Information and Communications Technology ICT subjects, students must read and practice the chapter allotted for the assignment.

Class 10 Bangla Assignment 2nd week Answer

Post a Comment

2 Comments
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.
  1. Thank you so much. This content help me so much.

    ReplyDelete
  2. There is too many mistakes on the answers

    ReplyDelete
Post a Comment

buttons=(Accept !) days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Learn More
Accept !
To Top